১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে ৮৩ লাখ টাকা জরিমানা

শেয়ারবাজারে জনতা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজি, মিথুন নিটিংয়ের অনিয়ম ও দুই ব্রোকারেজ হাউজের সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে আট ব্যক্তি ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৮৩ লাখ টাকা জরিমানা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সম্প্রতি দায়ীদের শাস্তির বিষয়ে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে।

শেয়ারবাজারে অনিয়মের দায়ে মো. সাইফ উল্লাহকে ৪০ লাখ টাকা, এজি মাহমুদ ও এসএম মোতাহারুল জাহানকে ২০ লাখ টাকা, হাসিনা আক্তারকে ৫ লাখ, মিথুন নিটিংয়ের চেয়ারম্যান রাবেয়া খাতুনকে ৩ লাখ টাকা এবং পরিচালক মো. আতিকুল হক, মো. মাহবুব-উল হক ও মো. রফিকুল হককে ৩ লাখ টাকা করে, গেটওয়ে ইক্যুইটি রিসোর্সেসকে ৫ লাখ ও হিলসিটি সিকিউরিটিজকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ৮ ব্যক্তিকে ৭৭ লাখ ও ২ প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২০২১ সালের ১৭ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে কারসাজির মাধ্যমে জনতা ইন্স্যুরেন্সের ৩৯ টাকার শেয়ারটি ৬২.৯০ টাকায় তোলা হয়। এ ক্ষেত্রে দর বাড়ে ২৩.৯০ টাকা বা ৬১ শতাংশ। এই কারসাজিতে মো. সাইফ উল্লাহ, হাসিনা আক্তার, এজি মাহমুদ ও এসএম মোতাহারুল জাহানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে কমিশন। এ কারণে মো. সাইফ উল্লাহকে ৪০ লাখ টাকা, এজি মাহমুদ ও এসএম মোতাহারুল জাহানকে ২০ লাখ টাকা এবং হাসিনা আক্তারকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আর্থিক হিসাব জমা না দেওয়া, এজিএম না করা, বেপজার সঙ্গে চুক্তি জমি চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও তা প্রকাশ না করা, উৎপাদন বন্ধ নিয়ে তথ্য প্রকাশ না করাসহ আরও কিছু অনিয়ম করেছে। এজন্য মিথুন নিটিংয়ের চেয়ারম্যান রাবেয়া খাতুনকে ৩ লাখ টাকা এবং পরিচালক মো. আতিকুল হক, মো. মাহবুব-উল হক ও মো. রফিকুল হককে ৩ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ৪ জনকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।