দেখি কত হাসতে পারো

রমজান চাচা এমনিতে ভালো, কিন্তু দাবা খেলতে বসলে দিনদুনিয়ার জ্ঞান থাকে না। সেদিনও রমজান চাচা বাড়িতে তালা দিয়ে এসে মোড়ের মাথায় দাবা খেলতে বসেছেন। হঠাৎ একজন দৌড়ে এসে খবর দিল, রমজান চাচা, আপনার বাড়িতে আগুন লেগেছে!

দাবার চাল ভাবতে ভাবতে রমজান চাচা বললেন, ইয়ার্কি করার জায়গা পাও না, না? এই দেখ, চাবির গোছা। তালা দিয়ে তবেই এসেছি। আগুন ঢুকবে কেমন করে, হ্যাঁ?

বিচারক : (চোরকে) তুমি রহিম সাহেবের দোকানের তালা ভাঙলে কেন?

চোর : আজ্ঞে, ধর্মাবতার, চাবি পাইনি যে!

তিতলি দৌড়ে বড় ভাই টুবাইয়ের কাছে এলো।

একখানা কাগজ আর পেনসিল এগিয়ে দিয়ে বলল, ভাইয়া, আমায় একটা বানর এঁকে দাও না!

টুবাই : ও, এই কথা? এই টুলের ওপর আধা ঘণ্টার সিটিং দে, এক্ষুনি এঁকে দিচ্ছি!

মিষ্টির দোকানে এক ব্যক্তি দেখলেন, দুটি ছেলে একটা মিষ্টি ভাগাভাগি করে খাচ্ছে।

তিনি তাদের দিকে এগিয়ে গিয়ে বললেন, বাহ! তোমাদের মধ্যে তো অনেক ভাব! এমন বন্ধুত্ব হলো কীভাবে?

প্রথম জন : জি, অ্যাটেন্ডেস দিতে গিয়ে।

লোকটি বুঝতে পেরে বললেন, মানে?

দ্বিতীয় জন : যেদিন আমি স্কুলে যাই না সেদিন ও আমারটা দিয়ে দেয় আর যেদিন ও যায় না সেদিন আমি ওরটা দিয়ে দিই।

যারা বাসার কাজ করে আনেনি শিক্ষক তাদের দাঁড় করিয়েছেন। একে একে জিজ্ঞেস করছেন, কেন তারা বাসার কাজ করে আনেনি।

একজন ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি করে আননি কেন?

 সে বলল, স্যার, আমি অসুস্থ ছিলাম।

শিক্ষক তাকে গত দিন ক্লাসে দেখেননি। তাকে বসতে বললেন।

এরপর আরেকজন ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, কেন সে বাসার কাজ করেনি?

 সে উত্তর দিল, স্যার, অসুস্থতার জন্যই তার বাসার কাজও করা হয়নি।

শিক্ষক অবাক হয়ে বললেন, কিন্তু তুমি তো সুস্থ ছিলে? গতকালও স্কুলে এসেছ!

সে বলল, স্যার, আসলে আমার বাবা অসুস্থ ছিলেন। তিনিই আমার বাড়ির কাজগুলো করে দেন তো, তাই!

গ্রন্থনা : এজাজ পারভেজ