'অন্তত ৫০টা এরকম ক্যাচ নিয়েছে সূর্যকুমার'

বিশ্বকাপ শিরোপা জিততে তখন ৬ বলে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ১৬ রান। স্ট্রাইকে আছেন ডেভিড মিলার। প্রথম বলেই হার্দিক পান্ডিয়াকে উড়িয়ে মারলেন এই হার্ডহিটার। অসাধারণ দক্ষতায় প্রায় ছক্কা হয়ে যাওয়া সেই বলকে তালুবন্দি করে ফেললেন সূর্যকুমার যাদব! ভারতের কাছে সেখানেই ম্যাচটা হেরে যায় প্রোটিয়ারা। কিন্তু কীভাবে সূর্য এই ক্যাচ নিলেন?

ভারতীয় দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলিপের কাছে সূর্যকুমারের এমন ফিল্ডিং অপ্রত্যাশিত নয়। কারণ সূর্য সবসময়ই দুর্দান্ত ফিল্ডার। টি দিলিপ বলেছেন, ''অনেকেই সূর্যকুমারের ক্যাচটা নিয়ে জানতে চাইছেন। সে অনুশীলনে অন্তত ৫০টা এরকম ক্যাচ ধরেছে। তবে ম্যাচের সময় সিদ্ধান্তটা সূর্যই নিয়েছে। উপস্থিত বুদ্ধি এবং ক্রিকেট সচেতনতার উদাহরণ ওই ক্যাচ।"

তিনি আরও বলেন, "বাউন্ডারির দড়ি কোথায় আছে, সে সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা ছিল সূর্যকুমারের। তাই ক্যাচটা ধরার সময় সে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ছিল। নিজে লাইনের বাইরে চলে যাওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে বল শূন্য ছুড়ে দিয়েছিল। আবার মাঠের মধ্যে পা দেওয়ার পর বল আবার তালুবন্দি করেছে। ওই মুহূর্তে এভাবে ক্যাচ নেওয়াটা সম্পূর্ণ সূর্যকুমারের সিদ্ধান্ত।"

মিলারের ওই ক্যাচের জন্য বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতীয় দলের সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার পেয়েছেন সূর্যকুমার। খেলা শেষ হওয়ার পর ড্রেসিংরুমে গিয়ে সূর্যকুমারের হাতে সেরা ফিল্ডারের পদক তুলে দিয়েছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ। দিলিপের মতে, বড় ম্যাচে এমন ক্যাচই পার্থক্য গড়ে দেয়। এর কৃতিত্ব সম্পূর্ণভাবে সূর্যকুমারকেই দিয়েছেন তিনি।