এক মাসেই ২৯৭ নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার

চলতি বছরের জুন মাসে দেশের বিভিন্নস্থানে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬৭ জন ও দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ১৯ জন নারী ও কন্যাশিশু। চারজন কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও সবমিলিয়ে ২৯৭ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। 

আজ সোমবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নারী ও কন্যা নির্যাতন বিষয়ক মাসিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংরক্ষিত দেশ রূপান্তরসহ ১৬টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জুন মাসে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ৩২ জন কন্যাসহ ৪৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে একজন কন্যা। বিভিন্ন কারণে চারজন কন্যাসহ ৪৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও তিনজন নারীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনা ঘটেছে তিনটি। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১০ জন, এর মধ্যে একজন কন্যাসহ চারজনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে।

শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে আটজন, এর মধ্যে একজন কন্যা। পারিবারিক সহিংসতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে পাঁচটি। দুজন কন্যাসহ তিনজন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় একজন কন্যাকে হত্যা ও একজন কন্যার আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। চারজন কন্যাসহ ২৪ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। নয়জন কন্যাসহ ২১ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে তিনজন আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার হয়েছে। এছাড়াও তিনজন কন্যার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। আটজন কন্যাসহ নয়জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। এছাড়াও চারজন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টা ঘটনা ঘটেছে। তিনজন কন্যা সাইবার ক্রাইমের ঘটনার শিকার হয়েছে। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে তিনটি এবং বাল্যবিবাহের চেষ্টা করা হয়েছে চারটি। এছাড়া আটজন কন্যাসহ ১৫ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।