বিদ্যুৎ বিভাগ দেশের উপকূলীয় এবং দ্বীপাঞ্চলে সৌর ও বায়ু থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
তিনি বলেন, এডিবির (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক) সহায়তায় উপকূলের ২২টি সম্ভাবনাময় স্থানে অফসোর উইন্ড থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবতা যাচাই করা হয়েছে। সেখানে বায়ু থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ইতোমধ্যে।
বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষ্যে আজ বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় আয়োজিত এক সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নসরুল হামিদ বলেন, নবায়ণযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণার কাজে উৎসাহিত করা এবং তার প্রয়োগের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্যেও মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তাছাড়া জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সমুদ্রে গ্যাস হাইড্রেট খোঁজার বিষয়েও কাজ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে আধুনিক ও যুগপযোগী অফশোর মডেল পিএসসি প্রণয়ন করা হয়েছে। যার আওতায় গত ১০ মার্চ আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে সাগরে জ্বালানি অনুসন্ধানের জন্য। সুনীল অর্থনীতির আওতায় সমুদ্র সম্পদ আহরণে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি সংস্থাসমূহের মাঝে সমন্বয় করে সকল সম্ভাবনাকে সফলভাবে কাজে লাগাতে হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অবসরপ্রাপ্ত রিয়াল অ্যাডমিরাল মো. খালেদ ইকবালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আলী হোসেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম বিষয়ক ইউনিটের সচিব রিয়াল অ্যাডমিরাল (অবসরপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, এডিবির কোস্টাল, রিভার ও পোর্ট এক্সপার্ট বিষয়ক ইউনিটের মহাপরিচালক জেন হেনরি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, শক্তি ইনস্টিটিউট- এর পরিচালক ড. এস এম নাফিস শামস প্রমুখ।