সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে (নবম থেকে ১৩ গ্রেড) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে সরকারের জারিকৃত পরিপত্র অবৈধ ঘোষনার রায় স্থগিতের আবেদনের ওপর আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত শুনানি হবে।
প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চের কার্যতালিকায় বিষয়টি ৮ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। ওই পরিপত্রের বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে দেওয়া রুল গত ৫ জুন যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেয়। পরে হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত ৯ জুন চেম্বার আদালত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ৪ জুলাই (আজ) ধার্য করে।
অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আগামীকাল শুনানির জন্য ধার্য আছে। আমরা শুনানি করতে প্রস্তুত আছি।’ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিটকারীদের আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, ‘আমরা যেহেতু রিট আবেদনের পক্ষে, শুনানিতে আমাদের যুক্তি আমরা তুলে ধরবো।’
২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর ওই পরিপত্রে নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয় এবং এক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটাপদ্ধতি বাতিল করা হয়। এ পরিপত্রের বৈধতা চ্যালঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সরকারি চাকরিপ্রার্থী ময়মনসিংহের ফুলপুরের অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর এ পরিপত্রের বৈধতা প্রশ্নে রুল দেয় হাইকোর্ট। এর ধারাবাহিকতায় রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় হয়।