যুক্তরাজ্যের জাতীয় নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে লেবার পার্টি। এরইমধ্যে দলটি ৩০৮টি আসনে জয় পেয়েছে যেখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে মাত্র ৬৬টি আসন। লেবার পার্টির বিপুল ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চলেছেন কিয়ের স্টারমার। আইন পেশা থেকে রাজনীতিতে আসা স্টারমার ২০১৫ সালে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ৬১ বছর বয়সী স্টারমার।
৮৫ বছরের মধ্যে দলের সবচেয়ে খারাপ পরাজয়ের পর ২০২০ সালে লেবার পার্টির নেতৃত্বে আসেন কিয়ের স্টারমার। আর মাত্র ৪ বছরের মাথায় দলকে বিপুর ব্যবধানে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছেন তিনি।
নিজেকে কঠোর নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে থাকা এক মানুষ হিসাবে পরিচয় দিয়ে থাকেন স্টারমার। এক সহকর্মী তার নাম দিয়েছিলেন 'মিস্টার রুলস'! তাঁর এই নামের খ্যাতি এমনই যে ২০২২ সালে যখন তাঁর বিরুদ্ধে লকডাউন আইন ভাঙার অভিযোগ ওঠে তখন দলের পক্ষ্য থেকে তা নাকাচ করে দিয়ে বলা হয়— তিনি মিস্টার রুলস, তিনি আইন ভাঙেননি।
সে সময় যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক উন্নয়নের শ্যাডো সেক্রেটারি অব স্টেট লিসা ন্যান্ডি বলেছিলেন, তিনি ‘মিস্টার রুলস’ তিনি আইন ভাঙতে পারেন না।