কিছুতেই কমছে না দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। ডিম-মাংসের বাজার সহনীয় পর্যায়ে না আসতেই দাম বেড়েছে বেশকিছু সবজির। এতে বিপাকে পড়েছেন ক্রেতারা। সপ্তাহে ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত। দাম বাড়ার পিছনে বিক্রেতাদের দাবি,‘টানা কয়েক দিন বৃষ্টির কারণে সবজি নষ্ট হচ্ছে। ফলে বাজারে সবজি কম আসছে। তাই দাম বেড়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সপ্তাহ ব্যবধানে ১৫ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বরবটি, করলা, বেগুন ও টমেটোর। এই সবজিগুলোর দাম শতক ছাড়িয়েছে। এদিকে কাঁচামরিচ প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। আলু ও পেঁয়াজের দামও বাড়তি।
শুক্রবার (৫ জুলাই) রাজধানীর শেওড়াপাড়া কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি করলা ১২০ টাকা, টমেটো ১৮০ টাকা, গাঁজর ১০০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, ধন্দুল ৬০ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৭০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকা ও কচুরমুখী প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও বাজারভেদে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। পেঁয়াজের কেজি ১০০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা ও আদা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়।
এ বিষয়ে কয়েকজন সবজি বিক্রেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গত সপ্তাহের চেয়ে সবজির বাজার ১৫-২৫ টাকা বেশি। এর প্রধান কারণ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি। আগে ৬৪ জেলা থেকে মালামাল আসতো। এখন বেশকিছু জেলায় রাস্তাঘাট ভাঙ্গা। কোথাও কোথাও অনেকটা পথ ঘুরে তারপর পণ্য ঢাকায় ঢুকছে। তাই সরবরাহ খরচ বেশি হচ্ছে। বৃষ্টি কমলে দাম কিছুটা কমে আসবে।’
এদিকে মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কোরবানি ঈদের পর বাজারে মুরগির চাহিদা কমায় দাম কিছুটা কমেছে। তবে আগের বাড়তি দামেই প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায় এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০০ টাকায়। তবে সপ্তাহ ব্যবধানে ডজনে ১০ টাকা কমেছে ডিমের দাম। গত সপ্তাহে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।