গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগে নোবেল বিজয়ী ও প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসহ সাতজনের মামলার কার্যক্রম বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ প্রশ্নে আদেশের জন্য আগামী ২১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।
মামলা বাতিল চেয়ে গত সোমবার এ আবেদনটি করার পর গতকাল বুধবার এর ওপর শুনানি শুরু হয়। ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘দুই পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত আদেশের জন্য ২১ তারিখ (২১ জুলাই) ধার্য করেছেন।’
গ্রামীন টেলিকমের শ্রমিক- কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০২৩ এর ৩০ মে ড. ইউনূসসহ প্রতিষ্ঠানটির ১২ জনের নামে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ মামলার অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়ার পর গত ২৯ জানুয়ারি ড. ইউনূসসহ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। গত ৩ মার্চ আত্মসমর্পণ করে জামিন পান ড. ইউনূসসহ অপর আসামিরা। গত ১২ জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত- ৪ আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/ ৪২০/ ৪৬৭/ ৪৬৮/ ৪৭১/ ১০৯ ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়। আগামী ১৫ জুলাই এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় হাইকোর্টে এ আবেদনটি করা হয়।