প্রায় ১০ মাস ধরে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে খাবার এবং সুপেয় পানি সরবরাহ। ফলে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এ গাজা উপত্যকা।
অন্যদিকে খাদ্য সংকট, ময়লা পানি আর চারপাশে ধ্বংসস্তূপের মাঝে নানারকম রোগের কবলে পড়ছে গাজার মানুষ।
গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হয়েছে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। গাজার মিডিয়া অফিস বলছে, গত বছরের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন অংশে বাস্তুচ্যুত হওয়ার কারণে ৭১ হাজার ৩৩৮ জন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত হয়েছে।
অন্য এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেখানকার বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতির কারণে সংক্রামক রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এখন পর্যন্ত ১৭ লাখের বেশি মানুষ বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
এছাড়া ইসরায়েলি সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রবেশে বাধা দেওয়ার কারণে গাজায় দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
এদিকে গাজা শহরের কিছু অংশ থেকে ইসরায়েলি বাহিনী সরে যাওয়ার পর তাল আল-হাওয়া এলাকা থেকে একের পর এক লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি উদ্ধারকর্মীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা মুখপাত্র মাহমুদ বাসল বলেন, গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলগুলো বেঁচে যাওয়া লোকদের উদ্ধারে এগিয়ে যায়। ফিলিস্তিনের উদ্ধারকর্মীরা ৬০টি লাশ উদ্ধার করেছে। নিহতদের বেশির ভাগই নারী, শিশু ও একই পরিবার।