ট্রলারে জুয়ার আসর, পুলিশ দেখে নদীতে ঝাঁপ

জুয়ার আসরে অভিযানের সময় পুলিশের তাড়া খেয়ে হালিম মিয়া (৩৫) নামে এক যুবক নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৪ জুলাই) সকালে কৈজানি নদীর মদন উপজেলার অংশের বাঁশরি এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় উপজেলার কান্দিউড়া ইউপির তাম্বূলিপাড়া এলাকার কৈজানি নদীতে নিখোঁজ হয় ওই যুবক। পরে শনিবার ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। 

নিখোঁজ হালিম মিয়া উপজেলার সান্দিকোনার আব্দুল হামিদের (সুনু) ছেলে। নিখোঁজ হালিমের মরদেহের উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার লিডার আশরাফ আলী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার তাম্বূলিপাড়া এলাকায় কৈজানি নদীতে ট্রলারে জুয়ার আসর বসিয়ে জুয়া খেলছিল কয়েকজন। কেন্দুয়া থানার পুলিশ খবর পেয়ে ওই জুয়ার বোর্ডে অভিযান চালায়। এ সময় জুয়ারিরা পুলিশের গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ দেয়। ঝাঁপ দেওয়া জুয়ারিদের মধ্যে হালিম (৩৫) নামে এক যুবক নিখোঁজ হয়। ঘটনার পর থেকে পরিবার ও স্বজনরা রাতভর খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সকাল বেলা কেন্দুয়া ফায়ার সার্ভিস খবর দেন। কেন্দুয়া ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ময়মনসিংহ থেকে একদল ডুবুরি এসে উদ্ধার তৎপরতা চালান। 

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর আলম খান জানান, আমি ঘটনাস্থলে বাঁশরীতে আছে। শুক্রবার নিখোঁজ হওয়া হালিমের লাশ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। সুরতহালের রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা মর্গে প্রেরণ করা হবে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।