আন্দোলন সহিংসতায় আটকা পড়া ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারে হিমশিম খাচ্ছেন ঢাকা সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা।
দুদিন ধরে কিছু এলাকার ময়লা তারা পরিষ্কার করেছেন। তবে এক সপ্তাহ ধরে জমা হওয়া ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের জন্য পর্যাপ্ত জনবল ও যান-যন্ত্রপাতি নেই সিটি করপোরেশনের।
গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে প্রাইভেট ভ্যান সার্ভিসের কর্র্মীদের ময়লা সংগ্রহ করতে দেখা গেছে। ময়লা ভর্তি এসব ভ্যান এসটিএসে (ময়লা রাখার ঘর) যাচ্ছে। আবার এসটিএস থেকে ট্রাক বোঝাই ময়লার গাড়ি ল্যান্ডফিলে যেতে দেখা গেছে।
মগবাজার এলাকার বেসরকারি ভ্যান সার্ভিসের কর্মী শাকিল জানান, একটি ভ্যানে করে তিনটি সড়কের ময়লা পরিষ্কার করেছেন তিনি। কিন্তু এখন এক রাস্তার অর্ধেক না যেতেই ভ্যান ভরে যাচ্ছে। সবাই ময়লা নিতে ডাকছে। কিন্তু তারা সবার ময়লা নিতে পারছেন না।
নারিন্দা এলাকার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ইউএস নন্দম জানান, বাসায় বাসায় ময়লার স্তূপ জমা হয়েছে। অনেকেই সড়কে ময়লা ফেলে দিয়েছেন। এত ময়লা পরিষ্কার করতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা নাছিম আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় আমাদের কর্মীরা কাজে নেমেছেন। যেহেতু সাতদিনের ময়লা জমা হয়েছে, তাই একটু সময় লাগতে পারে। তবে যত দ্রুত সম্ভব শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান বলেন, যানবাহন পুড়ে যাওয়ার কারণে কিছু এলাকায় বর্জ্য অপসারণে সমস্যা হচ্ছে। তবে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।