বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নুসরাত তাবাসসুমকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সংগঠনের ৭ জন সমন্বয়ককে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হলো।
আজ রবিবার (২৮ জুলাই) ভোর ৫ টায় মিরপুরের একটি বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং সহ-সমন্বয়ক রশিদুল ইসলাম রিফাত।
আবদুল হান্নান মাসুদ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আরিফ সোহেল এবং নুসরাত তাবাসসুমকে আজ ভোরে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তুলে নিয়ে গিয়েছে। অবিলম্বে তাদের সন্ধান ও মুক্তি চাই।
তিনি বলেন, এ নৈরাজ্য আর মেনে নেয়া যায় না, দলমত নির্বিশেষে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ এখন সময়ের দাবি।
রিফাত রশিদ বলেন, আজ সকাল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে আমাদের আরেকজন সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম আপুকে আপুকে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোষাকধারী বাহিনী। এই জুলুমের শেষ কোথায়?
এদিকে গতকাল সংগঠনের সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সদস্যরা 'নিরাপত্তাজনিত কারণে' হেফাজতে নিয়েছেন। ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. জুনায়েদ আলম সরকার গণমাধ্যমকে তা নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত শুক্রবার অপর তিন সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ, আবু বাকের মজুমদার ও নাহিদ ইসলামকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হেফাজতে নিয়েছে ডিবি। তাদেরও নিরাপত্তাজনিত কারণে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।