পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের কালো পতাকা মিছিল

ছাত্র-জনতাকে হত্যার দায়ে সরকারের পদত্যাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া, কারফিউ প্রত্যাহার ও হামলা-মামলা তুলে নিয়ে আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে কালো পতাকা মিছিল করেছে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট।

আজ রবিবার প্রেস ক্লাব থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এক পর্যায়ে পুলিশ মাইক কেড়ে নেয়। পুলিশি বাধা-হুমকি উপেক্ষা করে মিছিলটি পল্টন মোড়ে এসে শেষ হয়। এরপর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছায়েদুল হক নিশানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক ছোত্র জোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সমন্বয়ক রাগিব নাঈম। এতে উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রাফিকুজ্জামান ফরিদ, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি দিলীপ রায়, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সহসভাপতি দিপা মল্লিক, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি অঙ্কন চাকমা, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সংগঠক নাইম উদ্দিন।

সমাবেশ থেকে ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ এর সমন্বয়কসহ অবিলম্বে আটককৃতদের মুক্তি, কারফিউ প্রত্যাহার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং সারা দেশে অব্যাহত নির্যাতন ও গণগ্রেপ্তার বন্ধের দাবি করা হয়। এ ছাড়া সমাবেশ থেকে অসংখ্য ছাত্র-জনতা হত্যার দায়ে সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি তোলা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সারা দেশে 'কোয়ালিটি অ্যারেস্ট' এর মাধ্যমে 'কোয়ালিটি স্বৈরাচার'-এ পরিণত হয়েছে সরকার। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিভিন্ন সংস্থা নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার ও সার্বজনীন মৌলিক মানবাধিকারের তোয়াক্কা না করে গুম করে নির্যাতন ও বেআইনি উপায়ে গ্রেপ্তার করছে। এ ধরনের অসাংবিধানিক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। স্বৈরাচার পতনের বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে। হামলা-মামলা, গুম ও গ্রেপ্তার করে গণঅভ্যুত্থান ঠেকানো যাবে না।