গত ১০ জুলাই দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতায় ‘দেড় লাখের প্রিন্টার ১৫ লাখ’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে ওয়াজিয়ান গ্রুপ লিমিটেড (ডব্লিউজিএল) চায়না। প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ কার্যালয়ের মিডিয়া অ্যাডভাইজার আবিদুল হাসান চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, প্রতিবেদনে জনমনে সংশয় সৃষ্টির উদ্দেশ্যে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই দরপত্রের প্রধান পণ্য মিটার ক্রয়াদেশ পাশ কাটিয়ে গুটিকয়েক পণ্যের কেনাকাটাকে অপ্রাসঙ্গিকভাবে সামনে এনে বিভ্রান্তি তৈরি করার অপপ্রয়াস চালানো হয়, যা দুঃখজনক।
এক প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানির তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করে সরবরাহকৃত পণ্যগুলোর মূল্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে দাবি করে ডব্লিউজিএল বলেছে, এটা আদৌ সত্য নয় বরং এটা দরদাতার কৌশল। এই প্রকল্পে সরবরাহকৃত সব পণ্যের দরগুলো সমন্বয় করা হয়েছে মাত্র।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য নেই। সরবরাহকৃত মালামালের দরের সঙ্গে বাজারমূল্য যাচাই করে এবং বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এখানে অতিরঞ্জিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। কাউকে বিভ্রান্ত করারও কোনো অপপ্রয়াস ছিল না।
এ-সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ দেশ রূপান্তরের হাতে আছে।
প্রতিবেদনে একই প্রকল্পের আওতায় দুই ধাপে দুটি কোম্পানির কাছ থেকে যে দামে পণ্য কিনেছে আরইবি, সেই প্রকৃত তথ্যই তুলে ধরা হয়েছে এখানে। কোনো ধরনের মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়নি। প্রতিটি পণ্যেরই বাজারদর যাচাই করে তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।