‘নিষিদ্ধ জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি ও আস্তানা নিশ্চিহ্ন করতে হবে’

নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াত-শিবিরের ঘাঁটি ও আস্তানা চিহ্নিত করে তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, যারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করে তাদের নিশ্চিহ্ন করতে একাত্তরের হাতিয়ারকে শাণিত করার সময় এসেছে।

শুক্রবার বাদ জুমা নগরীর ওয়াসার মোড়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে নাশকতা ও নৈরাজ্যের বিরূদ্ধে অবস্থান কর্মসূচিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

কর্মসূচিতে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, বিপথগামী শিক্ষার্থীরা তাদের যৌক্তিক আন্দোলনকে নিষিদ্ধ জামাত-শিবিরের পকেটে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই মুহূর্তে ঘরে না ফিরলে ওরা তাদের ভবিষ্যতকে কালিমায় ঢেকে দেবে। তারা যদি কোন অপশক্তির ক্রীড়নকে পরিণত হয়ে থাকে তাদের চরম মূল্য দিতে হবে।

তিনি বলেন, ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায় স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তিকে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জিয়া সাদরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। এই পাপ তাদের বহন করতেই হবে। নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে পাপিষ্ট কারা।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান আতা, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ, মহানগর আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সাংসদ নোমান আল মাহমুদ, চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন বাচ্চু, মহানগর যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল হক সুমন, সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি দেবাশীষ নাথ দেবু, সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান আজিজ, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু, সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর প্রমুখ অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ, ১৫টি থানা, ৪৪টি সাংগঠনিক ওয়ার্ডের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, আহ্বায়ক, যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন।