সদর দপ্তরের দাবি

র‌্যাবের হেলিকপ্টার থেকে গুলির বিষয়টি গুজব

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় নাশকতা ও ধ্বংসযজ্ঞ প্রতিরোধে রাজধানীর আকাশে টহল দেয় র‌্যাবের হেলিকপ্টার। টহলরত এসব হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে এবং গুলিতে রাজধানীর মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় দুই শিশু নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে হেলিকপ্টার থেকে গুলির বিষয়টি গুজব বলে দাবি করছে র‌্যাব সদর দপ্তর।

সহিংসতা ও নাশকতার সময় দুর্বৃত্তরা শিশু-কিশোরদের আত্মরক্ষার ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে রাস্তা অবরোধ করে এবং ধ্বংসযজ্ঞ চালায় বলে দাবি করেছে র‌্যাব। শিশু-কিশোররা সামনে থাকায় সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার কথা জানিয়ে বাহিনীর সদর দপ্তর বলেছে, ‘জনগণের জানমালের ক্ষতি রোধে ও রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে র‌্যাবের হেলিকপ্টার থেকে গত ১৯ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর শনির আখড়া, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, উত্তরা, বছিলা, মোহাম্মদপুর, মিরপুর ও মহাখালীতে টিয়ার গ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তবে হেলিকপ্টার থেকে কোনো প্রকার গুলি করা হয়নি বা কোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়নি।’

র‌্যাব সদর দপ্তর বলেছে, ‘গত ১৮ জুলাই আন্দোলনকারীদের আক্রমণের শিকার হয়ে রাজধানীর মহাখালীর কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ছাদে আটকে পড়া ৬১ জন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করা হয়।’

গত ২০ জুলাই নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল এলাকার হাসপাতালে আগুন দেওয়া হলে ভবনের ছাদে আটকা পড়া নারী-শিশু এবং পুলিশসহ ৩৬ জনকে র‌্যাব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধার করে। এ ছাড়া যৌন হেনস্তার শিকার দুই নারী সাংবাদিককে রক্ষা করে বলে র‌্যাব দাবি করেছে।

১৯ জুলাই সংঘর্ষ চলাকালে রাজধানীর কাফরুলে শিশু সামিরের মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে র‌্যাব সদর দপ্তর দাবি করেছে, একটি চারতলা ভবনের দোতলায় বসবাসরত শিশু সামির ঘরের জানালা বন্ধ করার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।