দেশের বিভিন্নস্থানে ছাত্র-জনতার ওপর হামলায় ফখরুলের নিন্দা

কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা, জামালপুর, সিলেটসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ছাত্র-জনতার ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী লীগের লোকজন হামলার অভিযোগ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত বিবৃতিকে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেছেন, ছাত্র জনতার শান্তিপূর্ণ গণমিছিলেও সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে নিরীহ ছাত্র-ছাত্রীসহ অসংখ্য মানুষকে আহত করে। ছাত্রীসহ অনেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। আওয়ামী লীগ এই হামলার কাজে তাদের নারী কর্মীদের নির্লজ্জভাবে লেলিয়ে দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় মেয়ের জামাতার বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া শাহবাগ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান স্থানীয় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজির মুখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেন। একদিকে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি, অন্যদিকে পুলিশের গ্রেপ্তার বাণিজ্যে মানুষ অতিষ্ঠ।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আন্দোলন দমন করতে সরকার দেশকে চরম সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সমস্ত দেশে, গ্রাম-শহরে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে তা আন্দোলন দমানো যাবে না। ছাত্র গণআন্দোলন দমাতে গিয়ে সকল হত্যা, ধ্বংস, নৈরাজ্য ও সঙ্কটের জন্য আওয়ামী লীগ সরকার এককভাবে দায়ী।

তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে নির্মম, নিষ্ঠুরভাবে শত শত ছাত্র জনতাকে, এমনকি নিষ্পাপ ছোট্ট শিশুদের গুলি করে হত্যা করে সরকার মানবতাকেই হত্যা করেছে। গ্রেপ্তারকৃত সাধারণ ছাত্র-জনতাসহ বিএনপি ও অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান মির্জা ফখরুল।