নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় রূপগঞ্জ থানা ও সরকারি অফিসগুলোতে আতঙ্কে দিন কাটছে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের। সে আতঙ্ক দূর করতে সরকার পতনের দিন থেকেই রূপগঞ্জ থানা ও সংখ্যালঘুদের মন্দির সরকারি অফিসগুলোতে পাহারা দিতে ও রাস্তাঘাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে দেখা গেছে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের।
বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) সকাল থেকে সাবেক ছাত্রনেতা আবু মোহাম্মদ মাসুমের নেতৃত্বে রূপগঞ্জ থানা, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ, মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও সরকারি অফিসগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের পাহারা দিতে দেখা গেছে৷ এদিকে, ছাত্রনেতা মাসুদুর রহমান ও আরব হাসান আরিফের নেতৃত্বে ভুলতা ও বরপা এলাকায় রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও সংখ্যালঘুদের মন্দিরও বাড়িঘর দিতে দেখা গেছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, রূপগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল, মশিউর টিপু,আব্দুল্লাহ আল মামুন, আলামিন মাসুদ,আব্দুর রফিক আবু বক্কর মিন্টু জহির মিয়া, ইবরাহিম,দেলোয়ার, শাহিন, পলিন, সৈয়দ, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
জানা গেছে, শেখ হাসিনা পদত্যাগের পর থেকেই সারাদেশে থানা ও মন্দিরসহ সরকারি অফিসগুলোতে আগুন ও হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটলেও রূপগঞ্জ উপজেলা ছিল ভিন্নরকম। রূপগঞ্জ থানা মন্দির ও সরকারি অফিসগুলোর রক্ষায় সাবেক ছাত্রনেতা আবু মোহাম্মদ মাসুম এর নেতৃত্বে নিয়মিত পাহারা চলে। কারণে পুলিশ ও বিএনপি নেতা কর্মীদের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
অপরদিক এলাকায় ছাত্রনেতা মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে রাস্তাঘাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এছাড়া বরপা আরিয়াবো এলাকায় বিএনপি নেতা আরিফ হাসান আরবের নেতৃত্বে সংখ্যালঘুদের ঘর পাহারা দেওয়া হয়।
এ সময় আবু মুহাম্মদ মাসুম বলেন, “স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের দিন থেকেই আমরা রূপগঞ্জ থানা সহ সরকারি অফিস আদালত ও সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর পাহারা দিয়ে আসছি। আমাদের এখানে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আমরা দেশটাকে শান্তিপূর্ণভাবে সুশৃংখলভাবে এগিয়ে নিতে চাই।”