সড়কে চাঁদাবাজি না থাকায় কমেছে নিত্যপণ্যের দাম

সব ধরনের সবজি, মাংসের দাম এক মাসের ব্যবধানে গড়ে ২২ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব পণ্যের দাম কমার বিষয়টি জানা গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনে সড়কে ও বাজারে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য কমেছে। এতে সব ভোগ্যপণ্যের দাম কমেছে। বিশেষ করে সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। আবার কিছু কিছু সবজির দাম অর্ধেকে ঠেকেছে।

গতকাল দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে প্রতি কেজি পটোল বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, যা দুদিন আগেও ছিল ৬০ টাকা। একইভাবে প্রতি কেজি ঢেঁড়স ৪০, পেঁপে ৩০, মরিচ ১২০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু গত দুই মাস আগেও একই কাঁচা মরিচ গড়ে বিক্রি হয়েছিল ২০০-২৫০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চিচিঙ্গা-বেগুন ৪০ ও প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে।

এদিকে সবজির পাশাপাশি ডিম ও মুরগির দামও কমে এসেছে অনেকটা। আন্দোলনের সময় ডিমের হালি ৬০ টাকা হয়েছিল। কিন্তু গতকাল তা ৫০ টাকায় নেমে এসেছে। পাশাপাশি ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে কমেছে ৪০-৫০ টাকা। অন্যদিকে ডিমের মতো মুরগির দাম কমে বর্তমানে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২৭০ ও ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৬৫-১৭০ টাকা। অথচ গেল এক সপ্তাহ আগেও প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হয়েছিল ২১০-২২০ ও সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছিল ৩০০-৩১০ টাকা।

চাষের পাঙাশ, কই ও কার্পজাতীয় মাছের কেজিতে ২০-২৫ টাকা কমেছে। প্রতি কেজি ছোট পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৯০ টাকায়, যা সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয়েছিল ২০০-২২০ টাকায়। পাঙাশের মতো প্রতি কেজি চাষের কই বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৫০, ছোট রুই ২৫০-২৬০, কার্পজাতীয় মাছের কেজি ৩০০, চাষের শিং ৪৩০-৫৫০, সাগরের পোয়া কেজি প্রতি ৩৫০-৬০০ ও প্রতি কেজি বাইলা মাছ বিক্রি হচ্ছিল ৬০০-৬৭০ টাকায়।