অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে স্বাগত জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল। এছাড়া, তারা তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ-বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর জীবনাবসানে শোক প্রকাশ করেন। শুক্রবার (৯ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ বার্তা জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ছাত্র জনতার অভ্যূত্থানের মাধ্যমে এবং আন্দোলনকারীদের আকাঙ্ক্ষায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। ছাত্র জনতার এই ঐতিহাসিক ভূমিকা পালনের জন্য ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানান নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হামলা লুটপাট সহিংসতা প্রতিরোধ করতে হবে। জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ তালিকা সংরক্ষণ ও তাঁদের পরিবারের পাশে আর্থিক ও মানবিকভাবে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে দাঁড়াতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গণসংহতি আন্দোলনসহ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবতীর্ণ রাজনৈতিক দলগুলো গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলে আসছিল। ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তা গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। ফলে এই সরকারকে সেই দাবি বাস্তবায়নের গণতান্ত্রিক রূপরেখা প্রণয়ন করতে হবে। সমাজের সর্বস্তরে ন্যায় বিচার এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের সুনির্দিষ্ট পথরেখা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের জন্য দেশের অংশীজনদের চিন্তা, প্রস্তাবণা ও যুক্ততা নিশ্চিত করতে হবে।
গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে নেতারা জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আশু কাজ হবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাষ্ট্রীয় সকল বাহিনীকে পূণর্বিনস্ত করা। জুলাই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ও উস্কানী দাতা পলিটিশিয়ান, ব্যুরোক্র্যাট, পার্টি, পুলিশ, র্যাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্তপূর্বক রিপোর্ট তৈরি এবং বিচার শুরু করা।