কেএমপির আট পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি সমন্বয়কদের

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) আট পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। আন্দোলন চলাকালে নিরীহ ছাত্রদের ওপর নির্বিচারে গুলি, লাঠিচার্জসহ নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তারা।

দ্রুত ব্যবস্থা নিতে শুক্রবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় কেএমপি সদর দপ্তরে এক মতবিনিময় সভায় পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হকের কাছে এই তালিকা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এসময় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজের সমন্বয়ক ও সহ-সমন্বয়করা উপস্থিত ছিলেন।

তালিকাভুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন- খুলনা সদর জোনের সহকারী কমিশনার গোপীনাথ কানজিলাল, সদর থানার ওসি কামাল হোসেন খান, ওসি (তদন্ত) নিমাই চন্দ্র, এস আই রাকিব হোসেন ও সুকান্ত দাশ, এএসআই পলক এবং কনস্টেবল মাসুদ। এছাড়া হরিণটানা থানার ওসি মনিরুল ইসলামের নামও রয়েছে।

সভায় ছাত্র ও জনতা একসঙ্গে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কেএমপি কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক বলেন, “ইতোমধ্যে পুলিশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হবে। মাসে কেএমপিতে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে হেড অফিসের অনুমতি স্বাপেক্ষ একমাসের মধ্যেই বিএল কলেজে একটি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “ছাত্রদের চলমান আন্দোলনে যে কোন কালো থাবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ছাত্রদের আটক বা গ্রেপ্তারের বিষয়ে এখন থেকে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষের সাথে আলোচনা করা হবে। পুলিশ সদস্যরা যা সহিংসতায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নতুন পুলিশ দলভিত্তিক বা গোষ্ঠি ভিত্তিক লেজোঁরবৃত্তি আর করবে না।”