বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক নতুন এক দেশের আহ্বানে শনিবার বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সমাবেশের ডাক দেয় দৃশ্যমাধ্যম শিল্পী সমাজ, আলোকিচিত্রী সমাজ, বিক্ষুব্ধ থিয়েটারকর্মীরা, বাংলাদেশ সংগীতশিল্পী সমাজ (গেটআপ স্ট্যান্ডআপ) সংগঠনগুলো। এদিন পূর্বঘোষণা মোতাবেক দুপুর ২টা থেকেই শহীদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন কর্মীরা।
স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে সবাইকে বিপ্লবী অভিনন্দন জানিয়ে আয়োজকরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ‘সময়টা শুধু উদযাপনের নয়, উল্লাসের নয়; সময়টা রাষ্ট্র পুনর্গঠনের। আন্দোলনে আমরা ছাত্রদের ওপর যেমন ভরসা রেখেছি, ঠিক তেমনি রাষ্ট্র পুনর্গঠনে তাদের পাশে থেকে সর্বজনের প্রতিনিধিত্বমূলক বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। দেশের অভ্যন্তরে চলমান সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞ আমরা সর্বস্তরের শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মী গভীরভাবে চিন্তিত ও উদ্বিগ্ন। দেশের এই ক্রান্তিকালে সর্বস্তরের শিল্পীদের এক করেই এই সমাবেশ।’
এসময় পরিচালক অমিতাভ রেজা চৌধুরী দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্মিলিতভাবে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের জন্য আহ্বান করেন। এরপর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন জানান, ছাত্রদের রক্তের বিনিময়ে যে বিজয় আজ অর্জিত হয়েছে সে বিজয়কে কোনোভাবেই কলুষিত করা যাবে না।
এর আগে ১ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের সংহতি জানাতে রাজধানীর ফার্মগেটে একত্রিত হয়েছিলেন দৃশ্যমাধ্যম শিল্পী সমাজ। যেই আন্দোলনের ফলে পতন হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের।