ভারতে পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না ছাত্রলীগ নেতা কাদেরের

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। নেত্রীর পথে হাঁটেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বহু নেতা। এরই ধারাবাহিকতায় পালিয়ে ভারতে যান নারায়ণগঞ্জ ছাত্রলীগের এক নেতা। প্রায় ৬০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়েন তিনি। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।

গ্রেপ্তার আবদুল কাদের (‌২৭) নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আবদুল কাদের গত ৬ আগস্ট দেশ ছাড়েন।

স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, কাদেরকে জেরা করে জানা গিয়েছে তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়।  কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন রক্তক্ষয়ী হয়ে ওঠার পরেই তিনি ভারতে আত্মগোপন করেন। বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন গত ৬ আগস্ট। সড়কপথ, জলপথ, এমনকি বেশ কিছুটা পথ সাঁতরে মুর্শিদাবাদ লাগোয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে আশ্রয় নেন কাদের।

সেখান থেকে মুর্শিদাবাদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে যান। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার অভিযান চালিয়ে আব্দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর পর রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় তাকে। 

বিএসএফ সূত্রে খবর, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অস্থিরতার আবহে দেশ ছেড়েছেন আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী। অনেকেই সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে আত্মগোপন করার চেষ্টা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে বিএসএফের নজরদারি বাড়ানো হয় সীমান্ত এলাকায়। 

এর মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর মেলে, রঘুনাথগঞ্জ থানা এলাকায় বয়রাঘাট সীমান্তে আউটপোস্টের কাছে একটি গ্রামে গত চার দিন ধরে গা-ঢাকা দিয়ে আছেন কাদের। এর পরেই বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।