জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের দুর্নীতি বন্ধে কর্মচারী-কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা হাতেনাতে ২ দালালকে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেন। সোমবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষার্থীরা।
আটক দালালরা হলেন- পৌর শহরের যোগীরঘোপা এলাকার মোতাহার হোসেনের ছেলে সোহেল (২৮) ও বগাবাঈদ এলাকার এরশাদ আলীর ছেলে বাপ্পী (২৫)।
এদিকে শিক্ষার্থীরা পাসপোর্ট অফিসের ভেতর থেকে একটি অর্থ বিতরণের তালিকা খুঁজে পান। ওই তালিকায় ৫ সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজনকে এক হাজার থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়ার তথ্য রয়েছে। তবে তালিকায় নির্দিষ্ট কারও নাম পাওয়া যায়নি।
শিক্ষার্থীরা জানান, পাসপোর্ট অফিসে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি চলছে। অতিরিক্ত অর্থ বা দালাল ছাড়া কেউ সেবা নিতে গেলে পড়তে হয় হয়রানি ও ভোগান্তিতে। চারদিকে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ফটোকপির দোকান। এসব দোকানে প্রকাশ্যে দালালরা ঘোরাফেরা করে। তাদের অতিরিক্ত টাকা দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই পাসপোর্ট হয়ে যায়।
দালালদের দৌরাত্ম্য বন্ধের বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের কোনো কর্মকর্তা ব্যবস্থা নেয়নি বরং তারাই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। দুর্নীতি বন্ধ করতে পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা দুর্নীতির প্রমাণ করার পরেও জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার দেব অস্বীকার করেন তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কথা বলবেন না।