সুপ্রিম কোর্টের তিন আইনজীবীকে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তারা হলেন মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভূঞা, মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক। গতকাল মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ। একই দিনে সুপ্রিম কোর্টের ৯ আইনজীবীকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
তারা হলেন আইনুন নাহার সিদ্দিকা, সুলতানা আক্তার রুবী, ফয়েজ আহম্মেদ, মো. জহিরুল ইসলাম সুমন, রেদওয়ান আহম্মেদ রানজিব, মো. মঞ্জুর আলম, সামিমা সুলতানা দিপ্তি, মহসিনা খাতুন এবং মো. রফিকুল ইসলাম মন্টু।
তাদের নিয়োগের বিষয়ে গতকালই আইন মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এরপর গত কয়েক দিনে অ্যাটর্নি জেনারেল পদ থেকে অ্যাডভোকেট এ আমিন উদ্দিনসহ তিনজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেন। পর্যায়ক্রমে ৬৫ জনের বেশি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদত্যাগ করেছেন।
চিফ প্রসিকিউটরসহ ১১ প্রসিকিউটরের পদত্যাগ : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলীসহ ১১ জন পদত্যাগ করেছেন। গত সোম ও গতকাল মঙ্গলবার তারা পৃথকভাবে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে ট্রাইব্যুনালের প্রশাসন শাখায় পদত্যাগপত্র জমা দেন।প্রসিকিউটর পদ থেকে পদত্যাগকারীরা হলেন রানা দাশগুপ্ত, মোখলেসুর রহমান বাদল, সুলতান মাহমুদ সীমন, শাহিদুর রহমান, তাপস কান্তি বল, আবুল কালাম আজাদ, রেজিয়া সুলতানা চমন, আলতাফ উদ্দিন আহম্মেদ, শেখ মুশফেক কবীর ও জাহিদ ইমাম।
ট্রাইব্যুনালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরসহ ১৩ জন কর্মরত ছিলেন। গতকাল পর্যন্ত ১১ জন পদত্যাগ করেছেন। তাদের পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য ২০১০ সালের মার্চে গঠিত হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। বিচারকাজে শুনানির লক্ষ্যে প্রসিকিউশন টিম গঠন করা হয়।