ওজন কমালে সুস্থ-সবল জীবন কাটাতে পারবেন। ওজন বেশি থাকলে দ্রুত কীভাবে কমাবেন জেনে নিন। নইলে শরীরের পিছু নেবে একাধিক জটিল রোগ। আর সেই তালিকায় ডায়াবেটিস, হাইপ্রেশার, কোলেস্টেরল থেকে শুরু করে একাধিক অসুখ রয়েছে। ওজন কমাতে সবার প্রথমে ডায়েটে পরিবর্তন আনা জরুরি। সে ক্ষেত্রে দুপুরের ডায়েটে ফাস্টফুড, জাঙ্কফুড, বাড়ির তৈরি তৈলাক্ত খাবার এবং মিষ্টি বাদ দিয়ে দিন। তার বদলে উপকারী কিছু খাবার খাদ্যতালিকায় জায়গা দিন।
প্রতিদিন একটি করে আপেল খান। একাধিক রোগের ফাঁদ এড়াতে চাইলে দুপুরে খাবার খাওয়ার পর একটা আপেল খেতেই পারেন। তবে শুধু রোগ প্রতিরোধই নয়, সেই সঙ্গে এই ফল খেলে ওজন কমবে দ্রুতই। কারণ, এতে রয়েছে ফাইবারের ভা-ার। আর এই ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখবে। যার ফলে ক্ষুধা কম পাবে। সেই সুবাদে ওজন কমে। তাই আপনার লাঞ্চে এবার থেকে একটা গোটা আপেলকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন! ভিটামিন সি-এর ভা-ার হলো অ্যাভোকাডো। যা খেলে দূরে থাকে একাধিক জটিল অসুখ। এর মজুদ ফাইবারের গুণে বিপাকের হার বাড়ে। ফলে ওজন কমতে সময় লাগে না। তাই দুপুরে একদিন আপেল খেলে অন্যদিন একটা গোটা অ্যাভোকাডো খেতেই পারেন।
ব্রকোলি সবজিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভা-ার। আর এই উপাদান দেহের প্রদাহ কমায়। যার ফলে একাধিক ক্রনিক অসুখ কাছে ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, এতে মজুদ ভিটামিন সি-এর গুণে একাধিক সংক্রামক অসুখও দূরে রাখে। ফাইবারের গুণে ব্রকোলি খেলে পেট ভরা থাকে। দ্রুত ঝরে যায় মেদ। তাই ওজন কমাতে দুপুরের রান্নায় ব্রকোলির পদ রাখতেই পারেন। গাজরে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। যার ফলে দুপুরে গাজর খেলে ওজন কমে। এ ক্ষেত্রে সালাদে এই সবজি মিশিয়ে খেতে পারেন। আবার চাইলে পাঁচ মিশালি সবজির তরকারিতে গাজর দিতে পারেন।
দুপুরে অল্প ভাত, রুটি যাই খান না কেন, সঙ্গে এক বাটি ডাল অবশ্যই রাখবেন। কারণ, ডালে রয়েছে প্রোটিন, কার্ব এবং পর্যাপ্ত ফাইবার। যার ফলে এই খাবার খেলে বাড়ে পেশিশক্তি। এমনকি তরতরিয়ে কমে যায় ওজন। রোজকার ডায়েটে অবশ্যই ডালকে জায়গা করে দিন। খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম অবশ্যই করবেন। এর ফলে ওজন কমবে এবং বেড়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকবে না।