স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ও দুই অতিরিক্ত মহাপরিচালককে (এডিজি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি করা হয়েছে। এসব কর্মকর্তারা হলেন— মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ডা. মো. কামরুল হাসান।
আজ মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব দূর-রে-শাহ্ওয়াজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আওয়ামী লীগপন্থি চিকিৎসক কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছে বৈষম্যবিরোধী চিকিৎসকের ব্যানারে সাধারণ চিকিৎসক ও বিএনপি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)। এমন প্রেক্ষাপটে আজ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তিন কর্মকর্তাকে ওএসডি করে। আন্দোলনকারীরা অন্যদের সঙ্গে এই তিনজনে পদত্যাগেরও দাবি জানিয়ে আসছে।
ওএসডি হওয়া এই তিনজনই সরাসরি আওয়ামী লীগের পেশাজীবী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান আওয়ামী লীগের চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বর্তমান কমিটির মহাসচিব। তিনি সর্বশেষ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান ছিলেন। সেখান থেকে তাকে কিছুদিন আগে অধিদপ্তরে আনা হয়। বাকি দু’জন স্বাচিপের সদস্য।
এর মধ্যে মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞা স্বেচ্ছায় অবসরে যাওয়ার জন্য গত সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন জানিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই বাকি দু’জন কর্মস্থলে আসছেন না।