বাংলাদেশের প্রথম প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি রূপায়ণ সিটি উত্তরায় ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্সের উত্তরা জোনের সার্বিক সহযোগিতায় একটি অগ্নি নির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। রূপায়ণ সিটি উত্তরার বাসিন্দাদের অগ্নিকাণ্ড ও যে কোনো দুর্ঘটনা মোকাবেলা এবং সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২৪ আগস্ট) মহড়াটি আয়োজন করে রূপায়ণ সিটি উত্তরায় নিয়োজিত ফেসিলিটি ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি "এক্সিলেন্স সার্ভিসেস লিমিটেড"।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন উত্তরা ঢাকায় কর্মরত সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আলম হোসেন বলেন, রূপায়ণ সিটিতে আমরা দেখেছি এখানের অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা খুবই ভালো এবং আন্তর্জাতিক মানের। আগুন নেভানো যন্ত্রের ব্যবহারবিধি ও প্রকারভেদ, যন্ত্র ব্যবহারে সতর্কতা, আগুন নেভানোর জন্য বিভিন্ন ধাপে করণীয়, সর্বোপরি অগ্নিকাণ্ডরোধে নানান পদক্ষেপের বিষয়ে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আজকে এমন এক অতি গুরুত্বপূর্ণ মহড়ার আয়োজনের জন্য আমি রূপায়ণ সিটি কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাই এবং এ রকম মহড়া আয়োজনের জন্য সকল আবাসন কর্তৃপক্ষকে পরামর্শ দিচ্ছি।
রূপায়ণ সিটির এক্সিলেন্স সার্ভিসেস লিমিটেড অ্যান্ড ফ্যাসিলিটি ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির স্বেচ্ছাসেবকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাসিন্দাদের গণ–সচেতনতা সৃষ্টিই এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য বলে জানান- এক্সিলেন্স সার্ভিসেস এর হেড অব বিজনেস সৈয়দ রেজাউল হক রেজা।
তিনি বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য হলো রূপায়ণ সিটি উত্তরার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ মানের সেবা প্রদান করা। এই ধরনের প্রশিক্ষণ আমাদের সেবামান উন্নত করতে সাহায্য করবে এবং আমাদের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। আমরা আশা করি এই প্রশিক্ষণ সকলের জন্য উপকারী হবে।
রূপায়ণ সিটির চিফ অপারেশন অফিসার বিগ্রেড জেনারেল এবিএম সালাহ্ উদ্দিন ( অব.) বলেন, রাজধানী উত্তরায় এক আধুনিক শহর গড়ে তুলছে রূপায়ণ গ্রুপ। রূপায়ণ সিটি উত্তরা একটি বায়োফিলিক প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি যা তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ৬৩% খোলা স্থান, ৪২% শোষণযোগ্য সবুজাঙ্গন, স্কুল, মসজিদ, জগিং ট্র্যাক, কমিউনিটি দোকান এবং ৮.৫ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। বর্তমান সময় বড় চ্যালেঞ্জ অগ্নি নির্বাপণ। এই বিষয় রূপায়ণ সিটিতে থাকা প্রতিটি বহুতল ভবনে আধুনিক অগ্নি নির্বাপণের সক্ষমতা আছে তার এক নজিরবিহীন উদাহরণ এই মহড়া। আমাদের বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিষয় মাথায় রেখেই প্রতিটি বিল্ডিংয়ে অ্যাকটিভ সিস্টেম বা সক্রিয় ব্যবস্থা এবং অন্যটি প্যাসিভ সিস্টেম বা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।