কোথাও ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে সেখানকার মানুষ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যেতে পারে বলে উল্লেখ করে জ¦ালানি উপদেষ্টা বলেছেন, এর জন্য বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বন্যার পানি যখন নেমে যাবে তখন দ্রুত সময়ের মধ্যে সেসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে। গতকাল শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়ায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
পাটুরিয়ায় স্পেকট্রা সোলার পার্ক লিমিটেডের ৩৫ মেগাওয়াটের সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন তিনি।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির বলেন, ‘২০১০ সালে বিদ্যুৎ ও জ¦ালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন করা হয়েছিল। এই আইনের মাধ্যমে কোনো প্রতিযোগিতা ছাড়াই আগের সরকারের খাতিরের লোককে প্রকল্পগুলো দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বেশি মূল্যে এই বিদ্যুৎ কেনাও হয়েছে। বর্তমানে এমন অবস্থা দাঁড়িয়েছে বকেয়া টাকাগুলো আমরা দিতে পারছি