টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে এখনো কুমিল্লা গোমতী নদীর বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। রবিবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, গোমতী নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ৮০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ১ সেন্টিমিটার কমে আবার ১ সেন্টিমিটার বাড়ে। অর্থাৎ গোমতীর পানিপ্রবাহ অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে গত কয়েক দিন থেকে কুমিল্লা শহরতলির শুভপুর, চান্দপুর, কাপ্তান বাজার, ভাটপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। যেকোনো সময় গোমতীর বাঁধ ভেঙে শহরে পানি ঢুকতে পারে বলে ভয় তাদের।
গতকাল শনিবার দুপুর থেকে গোমতী নদীর ছত্রখীল এলাকায় ফাটল দেখা দিলে স্থানীয়রা মাটি দিয়ে ওই ফাটল বন্ধ করেন। গতকাল রাতে শহর রক্ষা বাঁধের অরণ্যপুর, চানপুর এলাকায় নদীর বাঁধ থেকে পানি বের হয়। এ সময় ফেসবুকে নদী ভেঙেছে বলে প্রচার হওয়ায় সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
এ বিষয়ে শুভপুর এলাকার এয়াকুব আলী বলেন, নদী রক্ষা বাঁধের পাশেই তার ঘর। টিভিতে দেখেছেন একতলা বাড়ি পর্যন্ত বন্যার পানিতে ডুবে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে গোমতী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তাদের নির্ঘুম রাত কাটে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুমিল্লার গোমতী নদীর বিবির বাজার, চানপুর ও ভাটপাড়া এলাকায় দেখা গেছে, নদী রক্ষা বাঁধে স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করছেন। রুবেল হোসেন নামের এক স্বেচ্ছাসেবী বলেন, পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী বাঁধ রক্ষায় কাজ করছেন। সবাই সচেতন হলে শহর রক্ষা বাঁধটিকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।