ফিলিস্তিনে এক মসজিদে অভিযান চালিয়ে ৫ প্রতিরোধ যোদ্ধাকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি দখলদার সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) পশ্চিম তীরের তুলকারমে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় ইসরায়েলি বাহিনী। বার্তা সংস্থা রয়টারের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থার সহায়তায় ইসরায়েলি বাহিনী পশ্চিম তীরের তুলকারম শহরের একটি মসজিদের ভেতরে ৫ ‘বন্দুকধারী’কে হত্যা করেছে।
নিহতদের মধ্যে হামাসের সশস্ত্র শাখা নুর শামস ব্রিগেডের কমান্ডার মোহাম্মদ জাবেরও রয়েছেন, যিনি আবু সুজা নামে পরিচিত। ইসরায়েলের দাবির বিষয়ে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রয়টার্স জানায়, বুধবার ভোরে কয়েক’শ ইসরায়েলি সৈন্য হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং সাঁজোয়া যান নিয়ে পশ্চিম তীরের তুলকারেম, জেনিন ও জর্ডান উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে। ইসরায়েলি এই অভিযানের আগে গাজা ও পশ্চিম তীরের টেলিযোগাযোগব্যবস্থাও ব্যাহত করা হয়।
এদিকে, নুর শামস ক্যাম্পে অভিযান চালানোর সময় ইসরায়েলি দখলদার সেনাদের গুলিতে ২১ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র মাজদ দাউদ নিহত হয়েছেন। এরপরে তার মরদেহ নিয়ে যায় দখলদার বাহিনী এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেল ক্রুদের শিবিরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়।
এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযানে মোট ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে গতকাল নিহত হন ১২ জন। পশ্চিম তীরের উত্তরাঞ্চলে বড় ধরনের স্থল ও বিমান হামলা চালানোর ফলে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
পশ্চিম তীরে দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অভিযান শুরু করেছে দখলদার ইসরাইলি বাহিনী। জেনিন, তুলকারম ও তুবাস শহর লক্ষ্য করে সেনাবাহিনীর দুটি ব্রিগেড, হেলিকপ্টার, ড্রোন ও বুলডোজার হামলা চালানো হয়।