সাফ শিরোপা জাতীয় দলের দরজা খুললো মিরাজসহ ৪ জনের

নেপালকে তাদের মাটিতে ফাইনালে ৪-২ গোলে বিধ্বস্ত করে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। এর একদিন বাদেই সুখবর পেলেন সেই দলের চার ফুটবলার। ফাইনালে জোড়া গোলসহ আসরে সর্বোচ্চ চার গোল করা মিরাজুল ইসলাম প্রথমবারের মতো ডাক পেলেন সিনিয়র দলে। এছাড়া ডিফেন্ডার শাকিল আহাদ তপুরও জাতীয় দলে পা রাখা প্রথমবারের মতো। মিরাজের আক্রমণ সতীর্থ রাব্ব হোসেন রাহুল ও চন্দন রায় রয়েছেন ভুটানগামী বাংলাদেশ দলে। আগামী ৫ ও ৮ সেপ্টেম্বর থিম্পুতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দু'টি ফিফা প্রীতি ম্যাচ খেলতে আজই ঢাকা ছাড়বে জাতীয় দল।

১১ জুন লেবাননের কাছে ৪-০ গোলে হেরে যাওয়া দল থেকে বাদ পড়েছেন ছয় জন। ফিটনেস ইস্যুতে দলে নেই স্টপার ব্যাক তারেক কাজী, শাহ কাজেম কিরমানি ও গোলকিপার মেহেদী হাসান শ্রাবণ। এছাড়া নেই দুই ডিফেন্ডার সুশান্ত ত্রিপুরা ও রিমন হোসেন ও মিডফিল্ডার রফিকুল ইসলাম। 

হাতে সময় কম থাকলেও কোচ হাভিয়ের কাবরেরার বিশ্বাস দ্রুত ভুটানের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হবে দল, 'রাহুল ও চন্দন আগের ক্যাম্পে ছিল। মিরাজুল ও তপু একেবারে নতুন। প্রথম ম্যাচের আগে আমরা পাঁচ থেকে ছয় দিন প্রস্তুতির জন্য সময় পাব। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করব। সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী যে দল খুবই দ্রুত মানিয়ে নেবে এবং প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হবে।'

জাতীয় দলে পাওয়া সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতি ঝড়েছে মিরাজুলের কণ্ঠে, 'কোচ মনে করেছেন জাতীয় দলে আমাকে প্রয়োজন তাই দলে নিয়েছেন। সত্যিই খুব ভালো লাগছে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে। চ্যাম্পিয়ন হয়ে আসার পরেই এমন খবর পাবো কল্পনা করিনি। এখন চেষ্টা থাকবে সিনিয়র দলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার।' 

ভুটানের বিপক্ষে চূড়ান্ত দল

গোলকিপার: মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, পাপ্পু হোসেন। 
ডিফেন্ডার: তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদউদ্দিন, ইশা ফয়সাল, মেহেদী হাসান, রহমত মিয়া, শাকিল হোসেন, শাকিল আহাদ তপু।
মিডফিল্ডার: সোহেল রানা, জামাল ভুঁইয়া, মোহাম্মদ হৃদয়, মোহাম্মদ সোহেল রানা, চন্দন রায়, মজিবুর রহমান জনি, মিরাজুল ইসলাম।
ফরোয়ার্ড: রাকিব হোসেন, শেখ মোরসালিন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, শাহরিয়ার ইমন, রাব্বি হোসেন রাহুল।