বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে বেগম জিয়া দেশ, শেখ হাসিনা দেশে নাই। তার নেতাকর্মীর কিছু জেলে আর কিছু আত্মগোপনে। এ বিজয় ছাত্র-জনতার জন্য হয়েছে। গত ১৫ বছর আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করেছে তারা। তারপরও আমাদের একটা নেতাকর্মীও দেশ থেকে পালাইনি। ৭০০ বেশি নেতাকর্মী গুম হয়েছে। কে করেছে, এই স্বৈরাচার সরকার শেখ হাসিনা করেছে। ছাত্র-জনতাকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করেছে।
শনিবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার এআর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে এসে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদেরকে এ সরকার, প্রশাসন এবং পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। আমাদেরকে এখন অর্থনীতি, বিচার ব্যবস্থ্য, পুলিশ প্রশাসন এবং মিডিয়াকে ঢেলে সাজাতে হবে। সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, ইলেকশান কমিশনকে সাজাতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশে বন্যার্তদের মাঝে কিছু উপহার নিয়ে এসেছি। আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসেনি। বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষগুলো আজকে বড় অসহায়। এক সময় তাদের সবকিছু ছিল। তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে আমাদের। আজকে ছাত্র-জনতা যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ চালাচ্ছে, তেমনি সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুষ্ঠু অবাধ একটি নির্বাচন চাই।
বিএনপিসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারি করে মির্জা ফখরুল বলেন, আজ আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে আলাদা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা সবাই সজাগ থাকবেন। কোনো চাঁদাবাজদের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নেই। আপনাদের এলাকায় কেউ যদি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করে তাহলে তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিন। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার মতো খবর প্রকাশ হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই।