লক্ষ্মীপুরে বন্যায় ১৮ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

লক্ষ্মীপুরে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। জেলায় প্রায় ১৮ হাজার ঘরবাড়ির ক্ষতি হয়েছে। ফলে নতুন করে ঘুরে দাড়াঁনোর সংগ্রাম করছে বানভাসি মানুষ। এছাড়া অনেক জায়গায় দোকানপাট থেকে পানি নামায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছে কর্মচারীরা।

জানা যায়, সদরের পূবার্ঞ্চলসহ ৫টি উপজেলার ৫৮টি ইউনিয়নের বাসিন্দারা এখন পানিতে তলিয়ে রয়েছে। পানিবন্দি ১০ লাখ মানুষ। ১৯৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া সুপেয় পানি ও খাদ্য সংকটে রয়েছে বানভাসিরা। ফলে চরম দুভোর্গে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ বালাই। গত ১০দিনে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। এদের মধ্যে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ ডায়রিয়া, আমাশয়, চর্মরোগসহ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. অরুপ চন্দ্র পাল।

জেলা ত্রান ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মো. ইউনুছ মিয়া বলছেন, এখন পর্যন্ত ১৮ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় দেড়শ কোটি টাকা। এছাড়া মৎস্য, কৃষি ও গবাদিপশু খাতেও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো. নাহিদ—উজ—জামান বলেন, গত চারদিনে রামগতি ও কমলনগরে পানি কমেছে দুই ফুট। তবে সদর উপজেলায় পানি কমছে ধীরগতিতে। সেখানে দেড় থেকে দুই ফুট কমেছে বলে দারি করেন তিনি। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বন্যার পানি পুরোপুরি কমে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। এছাড়া রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়িতেও এখনো পানি রয়েছে। ১১০ টি খালের মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ বাধঁ রয়েছে। সেগুলো অপসারণের কাজ চলছে।