প্রচণ্ড গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে লোডশেডিং। পল্লীবিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসায় তারা লোডশেডিং দিতে বাধ্য হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির আওতাধীন অনেক এলাকায় রাতে তিন থেকে চার ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন গ্রাহকরা। মূলত দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া ৫২৫ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াটের ২ নম্বর ইউনিট ও ২৭৫ মেগাওয়াটের তৃতীয় ইউনিট বন্ধ থাকায় এই উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বিদ্যুৎসংকট।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) বলছে, জাতীয়পর্যায়ে উৎপাদন ঘাটতি থাকায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। নেসকো পার্বতীপুর কার্যালয় জানিয়েছে, পার্বতীপুর শহরে বিদ্যুতের চাহিদা ছয় থেকে সাত মেগাওয়াট। কিন্তু বরাদ্দ মিলছে তিন থেকে চার মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি পূরণে লোডশেডিং হচ্ছে। বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সহকারী প্রধান প্রকৌশলী মো. মহসিন কবির ফিরোজ বলেন, ‘তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তৃতীয় ইউনিটটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ। আশা করছি, দু-এক দিনের মধ্যে তৃতীয় ইউনিটটি চালু হবে।’