খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রিয়াজ শাহেদের একটি চাঁদাবাজির কল রেকর্ডের অডিও-ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ কল রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে।
অডিও-ভিডিও কল রেকর্ডে বলতে শোনা যায়, তারা নগরীর ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ খালিদ আহমেদের কাছে রাজনৈতিক সুবিধা দিতে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছেন। তবে ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও রিয়াজ শাহেদ।
বিষয়টি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রিয়াজ শাহেদ বলেন, কল রেকর্ডটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে একটি স্বার্থন্বেষী মহল। যারা আমাকে হত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। তারাই এখন আমার রাজনৈতিক ইমেজ নষ্ট করতে বেনামে অপপ্রচারে পোস্টারিং করছে। তাতেও ক্ষান্ত না হয়ে অডিও ক্লিপ বানিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। এই রেকর্ড ভয়েস নকল করার অ্যাপস দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এতে ৬০-৭০ ভাগ মিল থাকলেও বাকি কণ্ঠের মিল নেই।
খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন চাঁদা দাবির কথা অস্বীকার করে বলেন, অ্যাপসের মাধ্যমে ভয়েস কল নকল করে এখন এগুলো করা হচ্ছে। এই কল রেকর্ডটি একদম ফেক, মিথ্যা, নকল, বানোয়াট। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন পরিবার। আমার নিজের ব্যবসা আছে। আর আমি ২ লাখ টাকা চাঁদা নেব এটা কেউ বিশ্বাসও করবে না। আমি প্রতিবাদও দিয়েছি। প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এ ব্যাপারে খুলনা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এসএম শফিকুল আলম মনা বলেন, আমি মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক রিয়াজ শাহেদের কল রেকর্ডটি শুনেছি। বুধবার রাতেই তাদের শোকজ (কারণ দর্শাও) করা হয়েছে। তাদের কৈফিয়ত (জবাব) সন্তোষজনক না হলে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।