শহীদ মুগ্ধর বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতার জন্য মুগ্ধ শহীদ হয়েছে। তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। দেশের মানুষের কাছে সে অমর হয়ে থাকবে। গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে দোয়াপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
দোয়া মাহফিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাহাদাতবরণকারী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) গণিত ডিসিপ্লিনের ’১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ সব শহিদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি এবং আহতদের আশু সুস্থতা কামনা করা হয়।
সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, মৃত্যুর আগে আন্দোলনের মধ্যে ‘পানি লাগবে পানি’ মুগ্ধর এই কথাগুলো হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যাবে না। মুগ্ধর স্মৃতি সবার মধ্যে অম্লান হয়ে থাকবে। নতুন প্রজন্মের আত্মত্যাগে অর্জিত এই স্বাধীনতায় মুগ্ধর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মুগ্ধর যমজ ভাই স্নিগ্ধকে দেখে মনে হয়, মুগ্ধ আমাদের মধ্যে আজও বেঁচে আছে। আমরা তার জন্য এখনো কিছু করতে পারিনি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রধান গেটের নাম শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ করেছে, এটি মুছে ফেলার সুযোগ নেই।
আলোচনা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। দোয়া পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি আব্দুল কুদ্দুস।
দোয়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শহিদ মুগ্ধর বড় ভাই মীর মাহমুদুর রহমান দীপ্ত, যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।