বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করে শাস্তি পাওয়া ৫৭ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করেছে দেশটির সরকার। ক্ষমা পাওয়াদের ১৪ জন প্রবাসী আজ শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে দেশে ফিরেছেন।
শনিবার এয়ার আরাবিয়ার পৃথক দুটি ফ্লাইটে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আসেন ১২ জন প্রবাসী। রাত ৮টা ১০মিনিটে আমিরাতের শারজাহ আসা একটি ফ্লাইটে আসেন একজন এবং ৮টা ৩৭ মিনিটে আবুধাবি থেকে এয়ার এরাবিয়ার ফ্লাইটে আসেন ১১ জনসহ মোট ১২জন।
তারা চট্টগ্রামের বাসিন্দা বলে আজ রাত সাড়ে ১০ টার দিকে নিশ্চিত করেছেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়োজিত সিভিল এভিয়েশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইব্রাহিম খলিল।
যে ১২জন অভিবাসী চট্টগ্রামে ফিরেছেন তারা হলেন- মোহাম্মদ জহির, মোহাম্মদ সোহেল আহমদ, মোহাম্মদ শাজাহান, এস্কান্দর হোসেন, মোহাম্মদ হারুন, সাইদুল হক, জিয়াউল হক জিসান, জাহাঙ্গীর আলম, আশরাফুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, মেহেরাজ উদ্দিন রাসেল, ও মোহাম্মদ কাউসার উদ্দিন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ক্ষমা পাওয়া ১৪ জন বাংলাদেশি আজ সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ঢাকার হজরত শাহজালাল ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।’
অন্যদিকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষমা পাওয়া দুই জন প্রবাসী একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন। তাদের একজনের সোহেল আহমেদ। অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের পরিচালক দেবব্রত রায়।
গত ৩ সেপ্টেম্বর অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মান জানিয়ে আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ বাংলাদেশির সবাইকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস সাজাপ্রাপ্ত বাংলাদেশিদের দণ্ড মওকুফ করার জন্য আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে অনুরোধ করেন। পরবর্তীতে শেখ জাহেদ বাংলাদেশিদের সাজা মওকুফ করেন।