চীনে শিক্ষকের চড়ে এক ছাত্রের গালে শ্বেতরোগ দেখা দিয়েছে। তবে ওই শিক্ষকের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ১১ বছর বয়সী লিউ নামে ওই ছাত্রের মায়ের দাবি, গণিতের হোমওয়ার্ক শেষ না করায় অভিযুক্ত শিক্ষক তার ছেলেকে কঠোর শাস্তি দেন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
খবরে বলা হয়, ইফু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী লিউ তার মা হুয়াংকে জানিয়েছিল— তার শিক্ষক তাকে শ্রেণিকক্ষে সামনে এনে অপমান করে এবং দুইগালে চড় মারেন। এ ঘটনার পর হুয়াং ছেলের মুখে মারাত্মক ফোলাভাব লক্ষ্য করেন এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।
সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনাটি ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। অনেকেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘শিক্ষক কীভাবে একজন ছাত্রকে এতটা খারাপভাবে আঘাত করতে পারেন?’
ওই শিক্ষার্থীর মায়ের দাবি, শিক্ষকের চড় মারার ফলে তার ছেলে ভিটিলিগোতে আক্রান্ত হয়েছে। ঘটনার ৩ মাস পর, লিউ’র শরীরে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যদিও শ্বেতরোগর সঠিক কারণ এখনো পুরোপুরি বোঝা যায় নি।
এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে পুলিশের তদন্ত চলছে। ফরেনসিক প্রতিবেদনের পর তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনার পরেও অভিযুক্ত শিক্ষক যোগাযোগ না করায় বা ছেলের চিকিৎসার খরচ বহন করতে না পারায় লিউয়ের মা হতাশা প্রকাশ করেছেন। গবেষণা থেকে জানা যায়, এ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে উদ্বেগ বা হতাশার সম্ভাবনা বেশি থাকে।