২০০৬ সালে অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ ড. ইউনূসকে নিয়ে একটি টেলিফিল্ম বানিয়েছিলেন, সেই টেলিফিল্মের নাম ছিল তেরোই অক্টোবর। মূলত ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেলপ্রাপ্তি এই এই টেলিফিল্ম বানানো হয়েছিল। এটি রচনা করেছিলেন কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক। ২০০৬ সালে প্রচারিত নাটকটি ১৮ বছর পর আবার প্রচারিত হতে যাচ্ছে। নাটকে অভিনয় করেছিলেন আনিসুর রহমান মিলন ও শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেলপ্রাপ্তি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবন কীভাবে গর্বের করে তুলেছিল, সেটাই এই নাটকে দেখানো হয়েছিল। বাংলাদেশ নামের একটি দেশের মানচিত্র বিশ্বের বুকে কীভাবে আলোকোজ্জ্বল হয়ে উঠেছিল, সেটাই এই টেলিফিল্মে প্রতীয়মান হয়েছে। দর্শকরা ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় দেখতে পারবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নোবেলপ্রাপ্তি প্রতিটি বাংলাদেশির জন্য গর্বের। এটা এমন একটা ঘটনা, যা একটি দেশের জন্য মাইলফলক, ফলে এটা নিয়ে আমি একটা টেলিফিল্ম বানানোর চিন্তা করি। ২০০৬ সালেই টেলিফিল্মটি চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত হয়। ১৮ বছর পর ফের এটি প্রচারিত হতে যাচ্ছে। এটা খুবই ভালো বিষয়।’
টেলিফিল্মটি প্রসঙ্গে মাহফুজ বলেন, ‘প্রবাসী ভাইয়েরা এই দেশের অগ্রযাত্রায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তারা অর্থনীতির চাকা সচল রাখছেন। তাদের জীবনের ওপর এই গল্প আবর্তিত হয়। কিন্তু এই প্রবাসীরা কতটা মূল্যায়ন পেতেন, সেটা জানা নেই, কিন্তু যখন তাদের দেশের একজন মানুষ নোবেল পুরস্কার পেলেন, সেটা তাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় হয়ে দাঁড়াল। প্রবাসে যখন তাদের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়, তারা বুক ফুলিয়ে বলতেন আমরা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশের মানুষ। তখন প্রবাসীদের প্রতি সে দেশের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেত।’
মাহফুজ আহমেদ অভিনয়ের পাশাপাশি নির্মাণও করতেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি শবনম বুবলীর সঙ্গে প্রহেলিকা নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হন। এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়ায় মুক্তি পায়। অস্ট্রেলিয়ায় এই চলচ্চিত্র দেখে অভিনেত্রী শাবনূর আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। তখনই শোনা যাচ্ছিল শাবনূরের সঙ্গে একটি সিনেমায় অভিনয় করতে পারেন।
নতুন চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘সিনেমা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। সামনে অবশ্যই সিনেমা আসবে। তবে এখনই চূড়ান্ত কিছু হয়নি। তবে প্রস্তুতি চলছে। চূড়ান্ত হলে আপনাদের সবাইকে জানাব।’