ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণের পর চিকিৎসককে হত্যার ঘটনায় ৫১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের স্টাফ, জুনিয়র চিকিৎসক। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত কমিটির সামনে তাদের হাজির হতে বলা হয়েছে। ততদিন পর্যন্ত হাসপাতালের যে কোনো কাজে তাদের যুক্ত থাকতে নিষেধ করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তারা সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। আরজি করের স্পেশাল কলেজ কাউন্সিল এ নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সোমবার স্পেশাল কাউন্সিলের বৈঠক ছিল। বৈঠকের পরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বরখাস্তকৃত ৫১ জনের মধ্যে ২০ জন স্টাফ, দু’জন সিনিয়র রেসিডেন্ট, একজন রিসার্চ সায়েন্টিস্ট এবং ১১ জন ইন্টার্ন। একমাত্র তদন্ত কমিটির নির্দেশেই তারা হাসপাতালে ঢুকতে পারবেন বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকে শাস্তি কার্যকর হতে পারে।
অভিযোগ উঠেছে, বরখাস্ত হওয়া ৫১ জন হাসপাতালে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিলেন। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন হাসপাতালের রেডিওথেরাপি বিভাগের সিনিয়র আবাসিক চিকিৎসক সৌরভ পাল। তার বিরুদ্ধে রয়েছে একগুচ্ছ অভিযোগ।
জানা গেছে, সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে আরজি করসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রভাব খাটাতেন সৌরভ। এছাড়া কোথায় কোন চিকিৎসক নিয়োগ হবে সেটাও ঠিক করতেন সৌরভ। তদন্ত কমিটির মতে, সৌরভ পাল এবং কয়েকজন মিলে এ সিন্ডিকেট চালাতেন।