বিডিআর বিদ্রোহ: পুনঃতদন্ত চেয়ে বিচারিক কমিশন গঠন করতে আইনি নোটিশ

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় বিদ্রোহের সময় সেনা অফিসারদের হত্যার ঘটনা আবারও তদন্ত করতে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সোলায়মান তুষার ৯ জন আইনজীবী ও একজন ব্যবসায়ীর পক্ষে স্বরাষ্ট্র সচিব, প্রতিরক্ষা সচিব, আইন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের মহাপরিচালকের উদ্দেশ্যে ই-মেইলযোগে এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশ দাতারা হলেন— ব্যারিস্টার সোলায়মান তুষার, ব্যারিস্টার মাহদী জামান বনি, ব্যারিস্টার শেখ মঈনুল করিম, ব্যারিস্টার আহমেদ ফারজাদ, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট  মো. শাহেদ সিদ্দিকী, ব্যারিস্টার সলিম উল্লাহ, অ্যাডভোকেট লোকমান হাকিম, ব্যারিস্টার ও সলিসিটর মো. কাউসার ও ব্যবসায়ী মাহফুজুল ইসলাম। নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে বিচারিক কমিশন গঠন ও ওই ঘটনায় নিহতদের প্রতিটি পরিবারকে ৫ কোটি টাকা, আহতদের ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা সঠিকভাবে তদন্ত করা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা শাস্তির  আওতায় আসেনি। অনেক নিরীহ মানুষকে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল (অব.) মঈন উ আহমেদ বলেছেন, বিডিআর সদর দপ্তরের নৃসংস হত্যাকান্ডের প্রকৃত ঘটনা জনগণ জানতে পারেনি।

আইনজীবী সোলায়মান তুষার বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ৫৭ জন সেনা অফিসারসহ ৭৪ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ওই ঘটনা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়নি। নোটিশের ব্যত্যয় হলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে।