বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে ঔষধ শিল্প অ্যাসোসিয়েশনের সাক্ষাৎ

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ঔষধ শিল্প অ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ। বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়। এ সময় ওষুধ শিল্পের বিরাজমান অবস্থা এবং কিছু কিছু শিল্পে অস্থিরতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির মহাসচিব ঔষধ শিল্প নেতৃবৃন্দের বক্তব্য গুরুত্বের সাথে শুনেছেন এবং এই শিল্পের বিকাশে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

ঔষধ শিল্প অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মোক্তাদিরের নেতৃত্বে বৈঠকে সাধারণ সস্পাদক এসএম শফি উজ্জাজামান, সহসভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন, মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, হারুন অর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত  ছিলেন। বিএনপি মহাসচিবের সাথে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।

বৈঠকের পর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের ওপর আমাদের অনেক নির্ভরশীলতা। এই শিল্পকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। অনেক উন্নয়নশীল দেশকে বিদেশ থেকে ওষুধ আমদানি করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে ওষুধ শিল্পের যে বিকাশ ঘটেছে আমাদের ৯৮ শতাংশ মানুষ এই শিল্পের ওষুধ পায়। মাত্র দুই শতাংশ আমরা আমদানি করি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এই শিল্প নিয়ে গর্বিত। এই শিল্পে বিনিয়োগ আগামীতে আরও বাড়তে থাকবে, আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, সার্বিক অর্থনীতিতে জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের অবদান রাখবে।’

আমীর খসরু বলেন, ‘ইদানিং ওষুধ শিল্পের মধ্যে কিছুটা অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। যেটার সমাধানও হয়ে গেছে। আমরা আশা করব, আগামীতে শিল্পের মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে যাতে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়। কোনো ভুল বোঝাবুঝি যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এই সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে হলে আমাদের বিকাশমান ওষুধ শিল্পকে সবার সমর্থন দিতে হবে। আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বক্তব্য এই শিল্পের বিকাশ আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং এখানে যারা সম্পৃক্ত মালিক-শ্রমিক যত স্টেকহোল্ডার আছে সকলের একত্রিত প্রচেষ্টায় আমরা এগিয়ে যাবো। আমরা মনে করি, আগামী দিনে ওষুধ শিল্প মালিক ও শ্রমিকদের সমন্বয়ে শক্তিশালী হবে।’