আশুলিয়ায় ২০ কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ 

শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পর স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে উৎপাদন কার্যক্রম। তবে এখনও ২৬টি কারখানা বন্ধ রয়েছে। কারখানাগুলোর নিরাপত্তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও শিল্প পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে আশুলিয়ায় শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সরেজমিনে সকালে আশুলিয়ার বাইপাইল আব্দুল্লাহপুর সড়কের নরসিংহপুর এলাকা গিয়ে দেখা গেছে প্রায় ২০ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানকারী হা-মীম গ্রুপের পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। এ ছাড়াও একই এলাকার শারমিন নামে আরও একটি বড় পোশাক কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছেন শ্রমিকরা। এছাড়া নিশ্চিন্তপুরের নিউএইজসহ নাসা গ্রুপের সবকটি পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের কাজে যোগ দিতে দেখা যায়। তবে মদিনা ও পার্ল গার্মেন্টসসহ ২৬টি পোশাক কারখানা এখনও বন্ধ রয়েছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক টেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল মামুন মিন্টু বলেন, বাংলাদেশ রপ্তানিকারক ও প্রস্তুতকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সিদ্ধান্তের পরও কয়েকটি পোশাক কারখানা মালিক পক্ষ বন্ধ রেখেছে। তবে অধিকাংশ কারখানা চালু রয়েছে। সকালে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিয়েছে। তবে শ্রমিকদের নামে মামলা দিয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের ১৩ (১) ধারায় কারখানা বন্ধ রাখা যৌক্তিক নয়। এক্ষেত্রে মালিক পক্ষকে শ্রমিকদের প্রতি আরও আন্তরিক হতে হবে বলে জানান তিনি।

শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম বলেন, বুধবার সকালে শ্রমিকরা কাজে ফিরে আসায় পরিস্থিতি অনেকাংশেই উন্নতির দিকে। তবে আজও আশুলিয়ায় ২০টি তৈরি পোশাক কারখানা ১৩ (১) ধারা অনুযায়ী অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। এছাড়া যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।