গাজা ‘দীর্ঘ যুদ্ধের’ জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। হামাসের প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার বলেছেন, ইরান-সমর্থিত আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তায় আরও প্রায় এক বছর ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার উপকরণ হামাসের কাছে আছে। গত সোমবার এ কথা বলেন তিনি। খবর আরব নিউজের।
সিনওয়ার বলেছেন, হামাসের ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। তারা ইরান-সমর্থিত আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থনে গাজায় প্রায় এক বছর ধরে যুদ্ধ করে আসছে।
সিনওয়ার হামাস গ্রুপের ইয়েমেনি মিত্রদের কাছে লেখা এক চিঠিতে বলেছেন, ‘আমরা নিজেদেরকে দীর্ঘস্থায়ী এক যুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করেছি।’ তিনি গত মাসে নিহত হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার স্থলাভিষিক্ত হন।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের এক সতর্কবার্তায় তিনি বলেছিলেন, লেবাননের হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা ম্লান হয়ে আসছে। তবে বড় পরিসরে আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা আবারও বাড়তে শুরু করেছে। গ্যালান্ট গত সপ্তাহে হামাসের উদ্দেশে বলেন, গাজায় সামরিক কাঠামোয় এটির আর কোনো অস্তিত্ব নেই।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে হামাসপ্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গাজার ভেতর এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো ১১ মাসের বেশি চলা যুদ্ধ শেষে শত্রুপক্ষের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা ভেঙে দেবে।
সিনওয়ার বলেন, ‘আপনাদের (হুতি) এবং লেবানন ও ইরাকের গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা এই শত্রুকে বিনাশ করবে এবং তাদের পরাজয় নিশ্চিত করবে।’
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি চুক্তি সইয়ের লক্ষ্যে কয়েক মাস ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসর। এ চুক্তির উদ্দেশ্য, হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি ইসরায়েলি জিম্মি ও ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি নিশ্চিত করা।