সালমান-আনিসুল

মানিক-পলক নতুন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে আরও নতুন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এর মধ্যে সালমানকে বাড্ডা থানার এক মামলায়; আনিসুল হককে একই থানার দুই; পলককে বাড্ডা ও লালবাগ থানার দুই; মানিককে বাড্ডা থানার চারটি, লালবাগ থানার একটি ও খিলগাঁও

থানার একটিসহ ছয়টি হত্যা মামলায় এবং মামুনকে বাড্ডা থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মধ্যে হত্যার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়।

গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সালমান, আনিসুল, পলক, মানিক এবং মামুনকে কারাগার থেকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ঢাকার মহানগর হাকিম জাকি আল ফারাবী তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। আদালতের আদেশ শেষে তাদের সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। গত মঙ্গলবার মামলাগুলোর তদন্ত কমকর্তা তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর ১৩ আগস্ট নৌপথে পলায়নরত অবস্থায় সদরঘাট এলাকা থেকে সালমান ও আনিসুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১৪ আগস্ট রাতে খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ এলাকা থেকে পলককে গ্রেপ্তারের কথা জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর কয়েক দফা রিমান্ড শেষে তাকে গত ১২ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়। চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে গত ৪ সেপ্টেম্বর হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পর তাকে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। এরপর ১২ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হয়। গত ২৩ আগস্ট রাতে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় মানিককে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগের মামলায় গত মঙ্গলবার মানিককে জামিন দেয় সিলেটের একটি আদালত।