রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পশ্চিমপাশে ১৬-তলা আবাসিক ভবন। রাজউকের বিধি অনুযায়ী সেখানে সর্বোচ্চ ছয়তলা ভবন নির্মাণের সুযোগ রয়েছে। ছয়তলার বদলে ১৬-তলা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রায় ৯০ কোটি টাকা অতিরিক্ত মুনাফা করেছে বলে সরকারের এক অডিট রিপোর্টে উঠে এসেছে।
আর বিতর্কিত এ ভবনের পাঁচতলায় নিজের ফ্ল্যাটে থাকতেন খোদ সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম। ওই ভবনটিরই সামনে করা হয়েছে অনুমোদনবিহীন আরেকটি নয়তলা ভবন।
যদিও রাজউক নয়তলা ভবনটির নকশা অনুমোদনের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছিল। কিন্তু আইনের ফাঁক গলে ভবনটি গড়ে তোলে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। পরে ভবনটি উচ্ছেদেরও নোটিস দিয়েছিল রাজউক। তবে মামলা করে সেই পদক্ষেপ আটকে দেয় মালিকপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত বলছে, বেইলি রোডের ওই বিতর্কিত দুটি ভবনের মধ্যে ১/২ নম্বর প্লটের ভবনের অনুমোদনই নেই আর অন্য প্লটটিতে সর্বোচ্চ ছয়তলা ভবন নির্মাণের সুযোগ থাকলেও গড়ে তোলা হয়েছে ১৬-তলা আবাসিক অট্টালিকা।
আর বিতর্কিত এ দুটি ভবনে ফ্ল্যাট রয়েছে সাবেক মন্ত্রী, সচিব, সাবেক পুলিশ কমিশনারসহ সরকারের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের। যাদের রাজউক কর্মকর্তারা ভিআইপি (অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) হিসেবে চেনেন। সেই ভিআইপিদের কারণে ভবন দুটির বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ তারা।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে