খুলনার কয়রা উপজেলার বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব নূরুল আমিন বাবুল গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ব্যবসায়ীকে মারধরের মামলায় শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে খুলনার বয়রা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কয়রা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শাহ আলম।
এলাকাবাসী জানায়, আগে কয়রা বাজারের ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের সাথে জমির শালিসকে কেন্দ্র করে বাবুলের কথাকাটি হয়। পরে ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলা বিএনপির সদস্য রবিউল ইসলামসহ বিএনপির তিন নেতা কয়রা বাজারের কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয়ের সামনে যান। সেখানে ‘ভাই ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং’ দোকানের মালিক মনিরুজ্জামানকে ডেকে নুরুল আমিনের সঙ্গে তার কী হয়েছে, জানতে চান তারা। এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ও বিএনপি নেতা রবিউল ইসলামের মধ্য মারামারি বেঁধে যায়। এতে বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম আহত হন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে কিছুক্ষণ পরই কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে উপস্থিত হন। এরপর নুরুল আমিন সেখানে এলে তার সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা পুলিশের সামনেই ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানকে মারধর শুরু করেন। এ সময় মুনছুর গাইন (৫৫), আল মামুন (৩০) এবং নুরুল হুদা (৫০) নামের তিনজন গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর কয়রা বাজারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ব্যবসায়ীদের মেরে আহত করার ঘটনায় শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) ১৪ জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। যার নম্বর ১১।
এর আগে গত ২০ সেপ্টেম্বর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কয়রা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. নূরুল আমিন বাবুলকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল প্রকার পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।