অনেক পেসারই বোলিংয়ের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। বিশেষ করে, তারা বড় শট খেলার ক্ষেত্রে বেশ দক্ষ। লোয়ার অর্ডারে দ্রুত রান তুলতে তারা কার্যকর হয়ে ওঠে। জামান খানও একজন লোয়ার অর্ডার ব্যাটার হিসেবে নিজেকে চিন্তা করেন। কিন্তু দলে তার ব্যাটিংয়ের সুযোগ কম। এই নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট।
জামান সিদ্ধান্ত নেন, অধিনায়ককে তার ব্যাটিং ক্ষমতা প্রমাণ করার জন্য বিশেষ কিছু করবেন। তাই, ম্যাচের আগে টিকটকে তিনি নিজের ৫টি ছক্কার ভিডিও আপলোড করেন। পাকিস্তানের ঘরোয়া টুর্নামেন্টের অধিনায়ক মোহাম্মদ হারিসও সেই ভিডিও দেখেন। কিন্তু তাতে কিছুই হয়নি; জামানকে ৯ নম্বরে ব্যাটিং করতে পাঠানো হলো।
যদিও প্যান্থার্সের বিরুদ্ধে জামান ৯ নম্বরে নেমে ১৬ বলে ৪২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৬টি ছক্কা। পরে হারিস জামানের ব্যাটিং দেখে নিজের ভুল স্বীকার করেন। সংবাদ সম্মেলনে জামান বলেন, "আমি টিকটকে আমার ছক্কার ভিডিও দিয়েছিলাম, যাতে হারিস দেখে আমাকে আগে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেয়। সে আমাকে ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে পাঠাতে চেয়েছিল। ম্যাচের পরে সে এসে বলেছে- জামান, আমি ভুল করেছি। আমি বলেছি- এ জন্যই তো আমি ভিডিওটি দিয়েছিলাম।'
ব্যাট হাতে ঝলক দেখানোর আগে জামান বোলিংয়েও অবদান রেখেছিলেন। ১০ ওভারে ৯০ রান খরচা করলেও, তিনি ৪টি উইকেট নিয়েছিলেন। তার শুরুটা হয়েছিল সাইম আইয়ুবকে আউট করে। এরপর উসমান খান, হায়দার আলী ও আরাফাত মিনহাসের উইকেট নিয়েছেন। জামানের এই পারফরম্যান্স তার মেধা ও কাজের প্রতি তার দায়বদ্ধতার প্রমাণ।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের হয়ে বিপিএল খেলা জামান খান পাকিস্তানের একটি ওয়ানডে ও ১০টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।